একসময় বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেন বেসরকারি চাকরিজীবী বাকের চৌধুরী।
কর্মব্যস্ত জীবন থেকে সময়টুকু বের করতে কখনও হয়তো অফিস থেকে ছুটি নিতে হতো, নয়তো নির্ভর করতে হতো বাসার সহকারীর ওপর।
এমন অবস্থায় তাঁর জীবনে আক্ষরিক অর্থে স্বস্তি নিয়ে এলো দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। কেননা, এখন নিজের ফোন থেকেই যে কোনো সময়ে বিল পরিশোধ করতে পারছেন তিনি।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগের এক জরিপেও উঠে এসেছে ইউটিলিটি বিল পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে বিকাশের জনপ্রিয়তার কথা। জরিপে দেখা যায়, দেশের ৬৮ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহক বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে পোস্ট-পেইড বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন। শুধু বিকাশের মাধ্যমেই পোস্ট-পেইড বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ গ্রাহক। এ ছাড়া ১৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুৎ অফিসে এবং ১৪ দশমিক ২৬ শতাংশ গ্রাহক অন্যান্য এমএফএস সেবার মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে থাকেন।
কেবল ইউটিলিটি বিলই নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি, বিভিন্ন সরকারি ফি, ক্রেডিট কার্ডের বিলসহ বিভিন্ন সেবার বিল বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করার সুবিধা গ্রাহকের জীবনকে করেছে সহজ ও গতিশীল।
প্রয়োজনের মুহূর্তে বিল পরিশোধের জন্য বিকাশে পর্যাপ্ত ব্যালান্স না থাকলেও কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না বিকাশ অ্যাপের ‘অ্যাড মানি’ সেবার কল্যাণে। কেননা, দরকারের সময় গ্রাহক তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা ভিসা, অ্যামেক্স বা মাস্টারকার্ড থেকে নিমেষেই টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন বিকাশ অ্যাকাউন্টে।
আবার বিকাশ অ্যাপে আছে ‘অটো পে’ সুবিধা, যা সেট করে রাখলে নির্দিষ্ট ইউটিলিটি বিলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তারিখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেমেন্ট হয়ে যায়। এই সেবা চালু করে রাখলে ডেডলাইন মিস হওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায় খুব সহজেই।