বিগত কয়েক সপ্তাহের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, সহিংসতা এবং আন্দোলনে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেশের শিল্প-কারখানা। অবশেষে সোমবার শেখ হাসিনার পদত্যগ ও দেশে ছেড়ে পালানোর পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে পরিস্থিতি।
এ অবস্থায় আজ বুধবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশের সব শিল্প-কারখানা। বিশেষ করে গার্মেন্টস ও বস্ত্র খাতের সব কারখানা খুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমএ থেকে সদস্যদের কারখানা খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিকেএমইএর সদস্যদের জন্য এক বার্তায় বলা হয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিল্প- কারখানা খোলা রাখার ঘোষণা থাকায় বুধবার থেকে আপনার শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে কারখানার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও অনুরোধ জানাচ্ছি।
অন্যদিকে পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সদস্য কারখানাগুলোও আজ খোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের চলমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং কারখানা খোলার বিষয়ে সোমবার বৈঠকে বসেন বিজিএমইএ নেতারা। বৈঠকে মঙ্গলবার থেকে কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বেঠক শেষে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি আবদুল্লাহিল রাকিব বলেন, ‘কারখানা খোলার বিষয়ে আজ (গতকাল) আমরা বৈঠক করি। বৈঠকে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য বিজিএমইএর সকল সদস্যকে কারখানা খোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।’
আর বিজিএমইএর পরিচালক আশিকুর রহমান তুহিন বলেন, এখন পরিস্থিতি ভালো। মনে হচ্ছে কারখানা খোলা যাবে। এমন চিন্তাভাবনা আমরাও করছি। আমরা সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বসেছিলাম, কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিল্প-কারখানা খোলা রাখার ঘোষণা থাকায় বুধবার থেকে আপনার শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে কারখানার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও অনুরোধ জানাচ্ছি।