ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

উইন্ডিজকে উড়িয়ে সুপার এইট পর্ব শুরু চ্যাম্পিয়নদের

ব্যাটসম্যানদের মিলিত প্রচেষ্টায় লাড়াকু সংগ্রহই পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু বোলাররা পারলেন না সেই সংগ্রহকে যথেষ্ঠ প্রমাণ করতে। ফিল সল্ট আর জনি বেয়ারস্টোর ঝড়ে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের সুপার এইট পর্ব শুরু করল বর্গমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডও।

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন সামি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বকাপ স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৮ উইকেটের জয় পায় ইংলিশরা। ১৮১ রানের লক্ষ্য তারা পূরণ করে ১৫ বল হাতে রেখে।

৩০ বলে যখন ৪০ রান দরকার তখন রোমারিও শেফার্ডের ওভারে ঝড় তোলেন সল্ট। তিনটি করে ছক্কা-চারে ওই ওভার থেকে নেন ৩০ রান।

শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৭টি চার ও ৫ ছক্কায় ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস কেলে ইংলিশদের জয়ের নায়ক সল্টই। ২৬ বলে ৫টি চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন বেয়ারস্টো। দুজনের ৪৪ বলের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে আসে ৯৭ রান।

গ্রুপপর্বে চার ম্যাচ জিতেই সুপার এইটে এসেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল একেবারে শেষ পর্যন্ত, তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। সেই উইন্ডিজকে গুঁড়িয়েই সুপার এইট শুরু করে বাকিদের যেন একটা বার্তাও দিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

রান তাড়ায় জস বাটলারের সঙ্গে সল্টের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ারপ্লেতে আসে ৫৭ রান, আর জুটিতে ওঠে ৬৭। পাওয়ারপ্লেতে মূল হুমকি আকিল হোসেনকে নিরাপদে পার করেন দুজন। শেষ পর্যন্ত সে জুটি ভাঙে অফ স্পিনার রোস্টন চেজের বলে বাটলার সামনে এসে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লু হয়ে। ডানহাতিদের বিপক্ষেও অফ স্পিনার চেজ দারুণ করেছেন। তবে উইকেট দরকার ছিল তাদের, সেটির দেখাই খুব একটা পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মঈন আলি এসে সুবিধা করতে পারেননি। ফেরেন ১০ বলে ১৩ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে। এরপর চার নম্বরে ব্যাটিংয়ের কার্যকারিতো প্রমাণ করেন বেয়ারস্টো।

এর আগে টসে হেরে বাটিংয়ে নামা উইন্ডিজ ভালো শুরু পেয়েও প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে না পারায় সংগ্রহটা বাড়েনি। ১৩ বলে ২৩ রান করে সেচ্ছা অবসরে যান ব্রান্ডন কিং। এরপর ত্রিশোর্ধো ইনিংস খেলেন পরের তিন ব্যাটারই।

৩৪ বলে ৩৮ রান তরেন জনসন চার্লস। ৩২ বলে ৩৬ রান করতে পারেন আগে ম্যাচে টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ (৯৮) রানের ইনিংস খেলা নিকোলাস পুরান। সেই তুলনায় ১৭ বলে ৫ ছক্কায় অধিনায়ক রভমন পাওয়েলের করা ৩৬ রান দলকে লড়াইয়ের ভালো পুঁজি এনে দেয়। ফেরফান রাদারফোর্ড খেলেন ১৫ বলে অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস।

ইংলিশরা ব্যবহার করে সাতজন বোলার। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন আদিল রশদ।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ