প্রথম কোয়ালিফায়ারের মতো ফাইনালের লড়াইটাও হলো একপেশে। ব্যাটে-বলে কোনো বিভাগেই লড়াই জমাতে পারল না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্যাট কামিন্সের দলকে উড়িয়ে আইপিএলের এবারের আসরের চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে রোববারের ফাইনালে ৮ উইকেটে জিতেছে কলকাতা। হায়দরাবাদকে ১৮.৩ ওভারে স্রেফ ১১৩ রানে গুটিয়ে ৫৭ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে শাহরুখ খানের মালিকানাধীন দলটি।
প্রতিযোগিতায় কলকাতার এটি তৃতীয় শিরোপা। প্রথম দুটি জিতেছিল ২০১২ ও ২০১৪ সালে।
আইপিএল ফাইনালে সর্বনিম্ন স্কোর এটি। ২০১৩ আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে রান তাড়ায় চেন্নাই সুপার কিংসের ৯ উইকেটে ১২৫ ছিল আগের সর্বনিম্ন।
প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই হায়দরাবাদের বিপক্ষেই জয়ের নায়ক ছিলেন আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার মিচেল স্টার্ক। ফাইনালেও রাখলেন বড় অবদান। পাওয়ার প্লেতে ৩ ওভারে স্রেফ ১৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

এদিন কলকাতার সফলতম বোলার অবশ্য আন্দ্রে রাসেল। ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট।
হায়দরাবাদের ইনিংসে ত্রিশও ছুঁতে পারেননি কেউ। সব আসর মিলিয়ে ফাইনালে কোনো দলের এমন ঘটনা এটিই প্রথম। ১৯ বলে সর্বোচ্চ ২৪ রান কামিন্সের। ২৩ বলে ২০ রান করেন এডেন মার্করাম। দুই অঙ্ক স্পর্শ করেন আর নিতিশ কুমার রেড্ডি (১০ বলে ১৩) ও হানরিক ক্লাসেন (১৭ বলে ১৬)।
স্টার্ক ছাড়াও ২টি উইকেট নেন নিতিশ রানা। ৪ ওভারে ১৬ রানে ১ উইকেট নেন সুনিল নারাইন।
নারাইন অবশ্য এদিন ঝড় তুলতে পারেননি। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই কামিন্সর বলে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দেন এই স্পিনিং অলরাউন্ডার।
তবে রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ভেঙ্কাটেশ আয়ারের ঝড়ে শুরুর ধাক্কা উবে যায়। দুজনে ৪৫ বলে গড়েন ৯১ রানের জুটি। গুরবাজ ৩২ বলে ৩৯ রান করে ফিরলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন ভেঙ্কাটেশ। এই টপ অর্ডার করেন ২৬ বলে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৫২ রান।


















