তারুণ্যের মিছিলে সাকিবের রেকর্ড, মাহমুদউল্লাহর

3

বিশ্বকাপের স্কোয়াড দেখে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কি কিঞ্চিৎ আক্ষেপ করছেন? একটা আসর বিরতি দিয়ে দেশের ক্রিকেটের অন্যতম নামী এই মুখ আবার ফিরেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে। ২০২২ সালে বিভিন্ন অজুহাতে বাদ না পড়লে হয়ত সাকিব আল হাসানের সঙ্গে রেকর্ডবুকে থাকত তার নামটাও। কিন্তু ওই একটা আসরের জন্য রিয়াদের নামের পাশে নেই বিরলতম এক রেকর্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ডাক পেয়েই রেকর্ড গড়েছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সবকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাচ্ছেন বাংলাদেশের এই তারকা। ২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ফরম্যাটের সব বিশ্বকাপেই ছিলেন সাকিব আল হাসান। মাঝে ২০১০ এবং ২০২২ আসরে ছিলেন অধিনায়ক।

সাকিব ছাড়া এমন রেকর্ডে আছেন কেবল রোহিত শর্মা। ৯ বিশ্বকাপের ৯টিতেই ছিলেন বাংলাদেশ এবং ভারতের এই দুই তারকা। আর তাদের চেয়ে একটা বিশ্বকাপ কম খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক ছিলেন রিয়াদ। আর ২০২১ সালে খেলেছেন অধিনায়ক হিসেবে।

এই বিশ্বকাপে বেশ তারুণ্য নির্ভর দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে দায়িত্ব পেলেও, বৈশ্বিক পর্যায়ে এটাই তার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। তাসকিন আহমেদ চলতি বছরের বিপিএলে দুর্দান্ত ঢাকার অধিনায়ক হয়েছিলেন। সেটাও অবশ্য কয়েক ম্যাচ যাওয়ার পর।

এই তারুণ্যের মিছিলে আছেন এমন ৬ মুখ যারা কখনোই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাননি। এ ৬ জন হলেন ওপেনিং ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম, ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়, উইকেটরক্ষক জাকের আলী অনিক, দুই স্পিনার তানভীর ইসলাম ও রিশাদ হোসেন এবং পেসার তানজিম হাসান সাকিব।

এদের মধ্যে তানজিদ তামিম গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলেছেন সবকটি ম্যাচ। তানজিম সাকিব সুযোগ পেয়েছিলেন দুই ম্যাচে। তাওহীদ হৃদয় তো বিগত দুই বছরে বাংলাদেশ দলের নিয়মিত পারফর্মার। ২০২৩ বিশ্বকাপে ছিলেন তিনিও। আর বাকি তিনজনের এটাই দেশের জার্সিতে প্রথম বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট।

বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন খেলতে যাচ্ছেন দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। অধিনায়ক হিসেবে এটাই প্রথম বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। সহ-অধিনায়ক হিসেবে তাসকিনের প্রথম টুর্নামেন্ট এটি। তার জন্য এটি পঞ্চম বিশ্বকাপ। ২০১৪ সাল থেকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিয়মিত মুখ তিনি।

শান্তর মতোই দ্বিতীয়বার ২০ ওভারের বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান। লিটন দাস ও শরীফুল ইসলাম খেলতে যাচ্ছেন নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ। সাতক্ষীরার দুই ক্রিকেটার সৌম্য সরকার এবং মুস্তাফিজের জন্য এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ।