নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে চিনির দাম আরেক দফা বেড়েছে। ভারত আগামী মৌসুমে চিনি রফতানি বন্ধ করতে পারে এমন খবরেই চিনিকলগুলো দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি এক-দেড় টাকা দাম বেড়েছে।
বাজারে চিনির দর যখন কমছিল না ঠিক সেই সময় সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ চিনি দেশের বাজারে প্রবেশ করে। চিনির পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, জেলা-উপজেলাগুলোয় ভারতীয় চিনি বাজার দখল করে নিয়েছে। যে কারণে দেশের করপোরেট চিনি উৎপাদন কারখানাগুলো কেজিপ্রতি দাম কমায় ৩-৪ টাকা। কিন্তু ভারত সরকার এরই মধ্যে তাদের চাহিদায় যাতে কোনো সংকট না পড়ে সেজন্য চিনি রফতানি বন্ধ রাখার চিন্তা করছে, এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর দেশী চিনি মিলগুলো দাম বাড়িয়ে দেয়।
দুদিন আগেও যে চিনি বেচাকেনা হয়েছিল ১২৪ টাকা কেজি দরে তা এখন ১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এক চিনি ব্যবসায়ী জানান, এক বছর ধরেই চিনির বাজার অস্থির। এর পেছনে কারণ ছিল ডলার সংকট, দেশীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন, এলসি খোলার জটিলতা, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া। এসব কারণে চিনির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে।
গত এক মাস আগেও বাজারে চিনি বেচাকেনা হয়েছিল ১২৮ টাকা কেজি দরে। রমজান মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে শুল্ক প্রত্যাহার করে। তার পরও বাজারে অস্থিরতা কাটেনি। উল্টো দাম বাড়িয়েছে মিলগুলো। সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চিনি বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে। যার কারণে দেশীয় চিনির মিলগুলো চিনির দাম কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা কমিয়ে দেয়। কিন্তু শনিবার থেকে মিল গেট চিনির দাম আবারো বেড়েছে।