স্মার্টফোনের পাওয়ার বাটন দীর্ঘসময় চেপে রাখার পর বেশ কয়েকটি অপশন দেখা যায়। এর মধ্যে রিস্টার্ট ও রিবুট নামের দুটি অপশন রয়েছে। আবার ফোনের সেটিংসে থাকা রিসেট অপশনও এগুলোর কাছাকাছি। তবে এ তিনটি অপশনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ আলাদা। ফোনকে পুরো ফ্যাক্টরি মোডে নেয়ার জন্য রিসেট দেয়া হয়। এতে ডিভাইসে থাকা সব তথ্য, ফাইল, স্টোরেজ খালি হয়ে যায়। বাকি দুটি অপশনের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে লাইফওয়্যার।
প্রথমেই রিবুট। রিবুট দেয়ার কারণ ও প্রয়োজনীয়তা আলাদা। কোনো ডিভাইস রিবুট করার অর্থ হলো এর হার্ডওয়্যারকে একটি অকার্যকর অবস্থা থেকে সচল বা অপারেশনাল অবস্থায় রূপান্তর করা। একটি ডিভাইসের ক্ষেত্রে শূন্য থেকে শুরু করতে আসলে বুট করা হয়। সহজে বললে বুট বা রিবুট করা মানে ফোনটা চালু করা। কোনো অ্যাপ যদি কাজ না করে বা ফোন অহেতুক হ্যাং করে তাহলে সেক্ষেত্রে রিবুট করা উচিত। এটি যেকোনো ডিভাইসের ক্ষেত্রে খুবই সাধারণ একটি কার্যক্রম। ল্যাপটপ থেকে শুরু করে রাউটার, মডেম, ট্যাবলেট, স্মার্ট ডিভাইস, মোবাইল, ডেস্কটপ ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ না করলে তা রিবুট করা যায়।
রিবুটের পর রয়েছে রিস্টার্ট। ফোন রিস্টার্ট করার অর্থ হচ্ছে ডিভাইসটিকে বন্ধ করে তা পুনরায় চালু করা। ডিভাইসের সেটিংসে কিছু পরিবর্তন করার পর তা পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা হয়। ফোনের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপগ্রেড করার পর সেটিকে রিস্টার্ট করতে বলা হয়। ল্যাপটপ বা অন্যান্য ইলেকট্রনিকস গ্যাজেটের ক্ষেত্রেও কোনো সফটওয়্যার আপডেটের পর সেটিকে রিস্টার্ট করতে বলা হয়। এর মাধ্যমে সফটওয়্যার ভার্সনটি ডিভাইসে যথাযথ ইনস্টল হয়ে থাকে।
















