চ্যাটজিপিটি নিয়ে বর্তমানে প্রযুক্তি খাতে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এক পক্ষ মনে করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের কাজকে সহজ করবে। অন্য দল আবার আগ্রাসী প্রযুক্তির নেতিবাচক দিক হিসেবেই বিবেচনা করছে একে। ঠিক এমন এক সময় নতুন একটি গবেষণা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে গবেষকরা বলেছেন, জাল মেডিকেল তথ্য তৈরি করতে পারে চ্যাটজিপিটি। ফলে বানোয়াট গবেষণা প্রকাশের মাধ্যমে এটি কাজের বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। খবর টেক টাইমস।
প্রশ্ন উঠেছে চ্যাটজিপিটি চিকিৎসা ক্ষেত্রের জন্য নতুন বিপদ ডেকে আনতে পারে কিনা। যদিও এর ইতিবাচক সক্ষমতা রয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে সুবিধাজনকও। তবে এ ধরনের প্রযুক্তি অনিবার্যভাবেই অনুপযুক্ত পদ্ধতিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তাই এটি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণামূলক বা ভুয়া গবেষণা প্রকাশ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক কসমস ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুসারে, চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে তৈরি মেডিকেলবিষয়ক ভুল তথ্য অনেকেেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। এ তথ্যটি গবেষকদের খানিকটা বিপদেই ফেলেছে। কারণ গবেষণা কাজের জন্য তাদের অনেক বেশি তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। কোন তথ্যটি ভুয়া বা বানোয়াট স্বল্পসময়ে তাদের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
প্রেস জার্নাল প্যাটার্নসে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, গবেষকরা অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শনাক্তকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। সে সময় তারা চ্যাটজিপিটিকে ২০১২-২০ সালের তথ্য ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ওষুধের প্রভাব সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্রের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন লিখতে বলেন। আশ্চর্যজনকভাবে এটি প্রকৃত তথ্য ও সংখ্যা তুলে ধরার মাধ্যমে দাবি করে, একটি ওষুধ অন্যটির তুলনায় কেন ভালো ও কার্যকর। চ্যাটজিপিটির মতো এমন একটি চ্যাটবটের এ ধরনের অবাস্তব তথ্য তুলে ধরাটা বিপজ্জনক।



















