সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভার খেলতে না পারেনি টাইগাররা। ২৪৬ রানের পুঁজি নিয়ে জেতার সম্ভাবনা ছিল খুব ক্ষীণ। তবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানে জ্বলে উঠার দিনে যেকোনো কিছু হতে পারে সেই ধারণা সবারই রয়েছে। ঘটলও তাই। সাকিব নৈপুণ্যে গতকাল সোমবার (৬ মার্চ) হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে বেঁচে গেছে বাংলাদেশ দল।
দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচানোয় অধিনায়ক তামিম ইকবালের কণ্ঠে ঝরেছে সাকিবের প্রশংসা। তিনি জানালেন, সাকিবের মতো ক্রিকেটার যে কোনো দলের জন্য আশীর্বাদ।
সাড়ে ছয় বছর ঘরের মাঠে কোনো ওয়ানডে সিরিজ হারেনি বাংলাদেশ। শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে বা আফগানিস্তান নয়, টাইগারদের দমাতে পারেনি ক্রিকেট পরাশক্তি ভারতও। অথচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ খুইয়ে বসে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
শঙ্কা ছিল, প্রায় এক দশক পর ঘরের মাটিতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় পড়ার। তবে ব্যাট হাতে সাকিবের ৭৫ ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ৪ উইকেট বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছে। লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছে অধিনায়ক তামিমকেও।
ম্যাচ শেষে তাই তামিম বলেন, ‘সোমবার সাকিবের পারফরম্যান্স অসাধারণ ছিল। পুরো ক্যারিয়ারেই সে অসাধারণ করেছে।’
ইংলিশদের বিপক্ষে ৪ উইকেট তুলে নেয়ার ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাকিব। বাংলাদেশের আর কোনো বোলারের ৫০ ওভারের ম্যাচে এ রেকর্ড নেই। একইসঙ্গে ৬০০০ রান করে তিনি সনাথ জয়সুরিয়া ও শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন। এমন অর্জন যার আছে, যে কোনো দলের জন্যই স্বাভাবিকভাবে আশীর্বাদ। সেটা ভালোভাবে উপলব্ধি করছেন তামিম ইকবালও।
গণমাধ্যমকে নিজের সতীর্থের বিষয়ে টাইগার ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘সে মানসিকভাবে খুবই শক্তিশালী। এর আগেও সে এমন পারফরম্যান্স করেছে। এটা নতুন নয়। আর তার মতো ক্রিকেটার থাকা যেকোনো দলের জন্য আশীর্বাদ। তার স্কিল সেটই আলাদা, যে কিনা ১০ ওভার বোলিং করবে আবার ব্যাটিংও করবে, এমন ক্রিকেটার খুব বেশি খুঁজে পাবেন না।’