বিভিন্ন ধরনের চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পাশাপাশি শতভাগ ভাঙা চাল বা খুদ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। আজ শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকেই এটা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে। খবর-রয়টার্স।
জানা যায়, পৃথিবীর ১৫০টির বেশি দেশে চাল রপ্তানি করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। কিন্তু এবারের বর্ষা মওসুমে গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হওয়ায় ভারতের ফসলের উৎপাদনেও প্রভাব পড়েছে।
তাই বিধিনিষেধ কার্যকর করার মধ্য দিয়ে নিজেদের বাজারে চালের যোগান বৃদ্ধি এবং দাম স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বিশ্বের শীর্ষ চাল রপ্তানিকারক দেশটি।
রয়টার্স লিখেছে, শুল্ক বাড়ায় ভারত থেকে চাল কেনা কমবে; ক্রেতারা এশিয়ার অন্যতম চাল উৎপাদনকারী দেশ থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের দিকে ঝুঁকবে, যারা চালের চালান ও দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।
ভারত সরকার ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের তালিকা থেকে সিদ্ধ ও বাসমতি চাল বাদ রেখেছে। শুক্রবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে।
সেই সঙ্গে সম্পূর্ণ ভাঙা চাল বা খুদ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দিল্লি। আফ্রিকার কিছু গরীব দেশ মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণে ওই খুদ আমদানি করে। তবে মূলত হাঁস-মুরগি বা মাছের খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয় এই ভাঙা চাল।
অল ইন্ডিয়া রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিভি কৃষ্ণ রাও বলেন, এই শুল্ক সাদা ও বাদামি চালেও প্রভাব ফেলবে, যেগুলো ভারতের মোট রপ্তানির ৬০ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, বিশ্বে মোট চাল রপ্তানির ৪০ শতাংশের বেশি যোগান দেয় ভারত। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান ও মিয়ানমার।