ইরানে ভারি বর্ষণের পর বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৫৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রাজধানী তেহরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটে। এতে এখনো ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার (২৯ জুলাই) দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়েছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জরুরি অপারেশনের প্রধান মেহেদি ভ্যালিপুর ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, বন্যায় দেশটির ৩১টি প্রদেশের ১৮টির মধ্যে ৪০০টি শহর ও গ্রাম প্রভাবিত হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যার দুই দিন পরও ১৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। অনেক মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে।
ভূমিধ্বসের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ছিল রাজধানী তেহরানের উত্তর-পূর্বে আলবোর্জ পর্বতমালার পাদদেশে ফিরোজ কুহ। সেখানে অন্তত ১০ জন মারা গেছে বলে গতকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টিভিকে জানিয়েছেন তেহরানের গভর্নর মোহসেন মনসুরি।
পরে স্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলো তাকে উদ্ধৃত করে জানায়, এ ঘটনায় আরো ছয়জন নিখোঁজ রয়েছে। তেহরান প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে গতকাল শুক্রবারও তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে বন্যা।
তিনি বলেন, বারবার সতর্কতা সত্ত্বেও ট্রেকাররা ফিরোজ কুহের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) তেহরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইমামজাদেহ দাউদ গ্রামে বন্যার কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত আটজন মারা গেছেন। এছাড়া ১৪ জনের মতো নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল শনিবার ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে আকস্মিক বন্যায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।