পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, মুদ্রাস্ফীতি রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নার্ভাস লাগছে। তার চেহারায় সেটি আরও স্পষ্ট।
শনিবার (৪ জুন) এক জনসমাবেশে পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন, শাহবাজ শরিফ বলছেন যে ইমরান খানের কারণে সবকিছু ঘটেছে, তাহলে তাকে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া উচিত ছিল।
ইমরান খান অভিযোগ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন ইস্যু যদি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে ক্ষমতাসীন সরকার তাহলে তাকে ‘ষড়যন্ত্র’ করে কেন ক্ষমতাচ্যুত করা হলো।
পিটিআই চেয়ারম্যান নতুন জোট সরকারকে আবারও মেনে নিতে অস্বীকার করেন এবং তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবকে সমর্থন করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন।
ইমরান খান আরও বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে এবং বর্তমান নেতাদের পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা শাহবাজকে ক্ষমতায় এনেছে কারণ তিনি তাদের প্রতিটি আদেশ পালন করবেন।
এদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ পেতে এবার গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে পাকিস্তান সরকার। এর আগে এক সপ্তাহের ব্যবধানে জ্বালানি তেলের দাম দুই দফায় ৬০ রুপি বাড়ানো হয়। এরপর শুক্রবার (৩ জুন) গ্যাসের দাম একলাফে ৪৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় শাহবাজ সরকার। শাহবাজ সরকারের পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান ইমরান খান।
পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মূলত ২০২৩ সালের আগস্টে। কিন্তু তার আগেই অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। অতীতের ধারা অনুসরণ করে পিটিআই নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের পতনও হয়েছে মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই।
সূত্র: জিও নিউজ