লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। এদিকে, মঙ্গলবার ইউক্রেনের বন্দর শহর মারিউপোলে একজন ব্রিটিম যোদ্ধাসহ এক হাজারের বেমি ইউক্রেনীয় সেনা রুশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। এদিন জার্মান প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে ইউরোপের সাথে ইউক্রেনের তিক্ততার সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার ইউক্রেনে বিরোধী মত দমনের লক্ষ্যে প্রধান বিরোধী নেতাকে গ্রেফতার করা হলেও পশ্চিমারা রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমের কাছে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, বড় আকারে সৈন্য প্রত্যাহার সত্ত্বেও অভিযানটি পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে। পুতিন জানান, আক্রমণের লক্ষ্য ছিল মস্কো-সমর্থিত বিদ্রোহীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ইউক্রেনের কিছু অংশে জনগণকে রক্ষা করা এবং ‘রাশিয়ার নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’। তিনি বলেন, রাশিয়ার কাছে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প ছিল না। সম্পূর্ণ সমাপ্তি এবং নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে। এছাড়া মঙ্গলবার বুচা শহরে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা গণহত্যার অভিযোগকে ‘ভুয়া’ বলে আখ্যায়িত করেছেন পুতিন।
তিনি জানান, ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে ক্ষতি কমিয়ে পরিকল্পিত লক্ষ্যগুলি অর্জন করতে শান্ত এবং ছন্দবদ্ধভাবে এগিয়ে চলেছে রুশ বাহিনী। তিনি আরও বলেন, ‘পশ্চিমারা রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করতে ব্যর্থ হবে। অর্থনীতি নিষেধাজ্ঞার সহ্য করার ক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার।’ উল্লেখ্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া রুশ সামরিক অভিযানের পর থেকে মস্কোতেই অবস্থান করছিলেন পুতিন। মঙ্গলবার মস্কোর বাইরে ভোস্টোচনি মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর বাইরে এটিই ছিল তার প্রথম কোন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ।