টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ উদ্বিগ্ন মুখে জানান, ‘মাত্র চার বোলার নিয়ে খেলেছি। তাসকিন বোলিং না করলে খুব বিপদ ছিল। জেনেশুনেই আমরা ঝুঁকিটা নিয়েছি। তাসকিনকে ধন্যবাদ দলের এই প্রয়োজনের সময়ে ঝুঁকিটা নিয়েছে। ’
কোনো পেস বোলারের এই অবস্থায় বোলিং করা সত্যিই ভীষণ ঝুঁকির। ডানহাতি পেসার তাসকিনের সেই চোট আবার ডান কাঁধে। ডারবান টেস্টের চতুর্থদিনে বোলিং করার পর ডান হাত এমনভাবে শরিরের সঙ্গে সিঁটিয়ে রাখছিলেন যে, মনে হচ্ছিল হাতটা স্লিংয়ে ঝোলানো।
রবিবারে রাতে টিম হোটেলের বাইরে দেখা তাসকিনের ডান হাত একইরকম শরিরের সঙ্গে সযত্নে আটকে রাখা। ‘কাঁধের পেশীতে ছোট্ট একটা ‘টিয়ার’ আছে। কতটা গুরুতর, সেটা এমআরআই করানোর পর বোঝা যাবে’, জানিয়েছেন তাসকিন। ৫ এপ্রিলের ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছে কাঁধে ‘এমআরআই’ করাবেন তাসকিন। এরপর বোঝা যাবে, তাঁর চোটের গুরুত্ব।