কোন কোন বাহিনীর উন্নয়নে কীভাবে অনুদানের অর্থ ব্যয় হবে-তা আগাম জানানোর নতুন শর্তে মার্কিন সামরিক অনুদান গ্রহণে বাংলাদেশ রাজি কিনা তা জানতে চায় ওয়াশিংটন। ১লা ডিসেম্বর ঢাকায় পাঠানো চিঠিতে ১৫ই ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক জবাবে অর্থাৎ ‘সম্মতিপত্র’ পাঠানোর সময় বেঁধে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এ নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শেষ না হওয়ায় ১৫ দিনের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করে ঢাকা। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে তাতে আপত্তি করা হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা ও ওয়াশিংটনের দায়িত্বশীল একাধিক কূটনৈতিক সূত্র মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন অনুদান গ্রহণে বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সম্মত। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াশিংটনকে এ সংক্রান্ত ‘সম্মতিপত্র’ পাঠাতে ঢাকা নতুন করে আরও কিছু সময় চেয়েছে।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে কূটনৈতিক পত্র (নোট ভারবাল) পাঠিয়ে ওই সময় চাওয়া হয়েছে। তবে আগের চিঠিতে যেভাবে দিন-তারিখ উল্লেখ করে ১৫ দিনের অর্থাৎ ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছিল, এবার তা করা হয়নি। জবাব পাঠানোর টাইমলাইনের বিষয়টি ওপেন রাখা হয়েছে।
ঢাকার কর্মকর্তারা অবশ্য দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই বলে যে, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সরকারের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যকার আলোচনা শেষ হবে এবং কালবিলম্ব না করেই ঢাকার ‘সম্মতিপত্র’ ওয়াশিংটনে পাঠানো হবে।’ দ্বিতীয় দফায় সময় চাওয়া হতে পারে এমন ইঙ্গিত ছিল পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের গত সপ্তাহের বক্তব্যে। ৩০শে ডিসেম্বর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ আভাস দিয়েছিলেন। বলেছিলেন- ‘এর সঙ্গে জড়িতদের (অভ্যন্তরীণ) আলোচনায় আরও কিছু সময় প্রয়োজন, আমরা সেটা চাইতে পারি।’