শীত আসতেই বেড়ে যায় সর্দি-কাশির সমস্যা। এ সময় বায়ু দূষণের কারণে ফুসফুসে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। একইসঙ্গে ঠান্ডা ও নিউমোনিয়ার সমস্যায় ফুসফুসে প্রদাহ ও সংক্রমণ দেখা দেয়। অন্যদিকে করোনা আতঙ্ক, সব মিলিয়ে এ সময় ফুসফুস সুস্থ রাখা চ্যালেঞ্জের বিষয়।
করোনার শুরু থেকেই চিকিৎসকরা ফুসফুস সুরক্ষিত রাখতে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি সুষম খাবার খাওয়া প্রয়োজন, যাতে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। জেনে নিন তেমনই ৫ খাবার সম্পর্কে-
> স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি কিংবা ব্ল্যাকবেরিতে আছে অ্যান্থোসায়ানিন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের কার্যকারিতা যখন কমতে শুরু করে তখন এই ফল দুর্দান্ত কাজ করে। এসব ফলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফুসফুসের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সাহায্য করে।
> বাজারের প্যাকেটজাত খাবারের লবণ অতিরিক্ত খেলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে। তাই রান্না করা খাবারে পরিমিত মাত্রায় লবণের ব্যবহারে সুস্থ থাকবে ফুসফুস।
> শীত আসতেই বাজারে ভরে উঠেছে সবুজ শাকসবজি। তাই এ সময় সুস্থ থাকতে পাতে রাখুন বিভিন্ন শাকসবজি।

সমীক্ষায় জানা যায়, সবুজ শাকসবজি ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তাই এ সময় খাদ্য তালিকায় রাখুন পালংশাক, মেথি, ব্রকোলি, সবুজ ক্যাপসিকামসহ নানা ধরনের মৌসুমী সবজি।
> ফুসফুসের জন্য লাল রঙের ফল ও সবজি বিশেষ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল ক্যাপসিকাম, টমেটোর মতো সবজি ও ফলে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতেও টমেটোর রস বেশ কার্যকরী। এমনকি যারা দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্যও লাল রঙের ফল ও শাকসবজি বিশেষ দরকারি।
> শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে ব্ল্যাক কফিও বেশ উপকারী। এতে থাকা পলিফেনল ফুসফুস সুস্থ রাখতে বিশেষ সহায়ক। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন আবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।


















