এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো দেশীয় তুলার মজুদ উন্মুক্ত করল চীন। গতকাল দেশটির মজুদ প্রশাসন দৈনিক নিলামের মাধ্যমে মজুদ থেকে স্থানীয় বাজার তুলা বিক্রি শুরু করে। উদ্দেশ্য স্থানীয় বাজার সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। এদিন আমদানীকৃত ও উৎপাদিত ছয় লাখ টন তুলা নিলামে তোলা হয়।
শিল্প-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট সিএনকটনডটকমে প্রকাশিত এক নোটিসে চায়না কটন রিজার্ভ ম্যানেজমেন্ট জানায়, চীনের স্পিনিং কোম্পানিগুলোয় ফাইবারের চাহিদায় উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চাহিদা মোকাবেলায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহূত তুলার মজুদ উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বর্তমানে চীনে তিন বছরের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে তুলার দাম। গত বছর থেকেই রফতানি বাজার এবং স্থানীয় টেক্সটাইল খাতে তুলার চাহিদা শক্তিশালী হতে শুরু করে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও পণ্যটির ঊর্ধ্বমুখিতা অব্যাহত আছে। এসব কারণে দেশীয় বাজারে লাফিয়ে দাম বাড়ছে।
তবে কফকো ফিউচারস জানায়, চীনের ঝিনজিয়াং প্রদেশের চাষীরা সম্প্রতি তুলার অনেক বেশি দাম হাঁকেন। এটি স্পিনিং ফার্মগুলোর জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। ফলে উৎপাদিত তুলার চাহিদা কিছুটা কমে যায়।
বেইজিংভিত্তিক একজন ডিলার বলেন, সর্বশেষ নিলামে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল আমদানীকৃত তুলার। আমদানীকৃত তুলার বেশির ভাগই আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল থেকে।