পাটের ফলন ভালো হলেও মাদারীপুর জেলার স্থানীয় চাষিরা বাজারমূল্য নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন ।
চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৩ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।
শিবচর উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের একটা অংশ পাট বিক্রি করছেন। তারা জানিয়েছেন, টাকা খরচ করে আবাদ করেছেন। পাট বিক্রি করে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ করবেন। অনেকে আবার জমি খাজনা করেও চাষবাস করেছেন। কেউ ঋণ করেছেন। এসব চাহিদা মেটানো এবং আগামী ফসলের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পাট বিক্রি করতেই হচ্ছে তাদের। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম কম পেয়ে মজুদ করতে পাট কিনছেন বলেও জানা গেছে। দাম বাড়লে তখন বিক্রি করবেন তারা।
সেখানকার উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১৩ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার হেক্টরে তোষাপাট, ৪ হাজার হেক্টরে দেশি পাট এবং ৫শ হেক্টরে মেছতা পাটের চাষ করা হয়েছে। উপজেলার অনেক স্থানেই পাট তুলে জমিতে ধানের চাষ শুরু করে দিয়েছেন কৃষকেরা। উঁচু স্থানের জমির পাট কেটে জাগ দেওয়া এবং আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলছে।
শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপম রায় জানান, এ উপজেলার আবহাওয়া পাট চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। এ কারণে প্রতি বছরই এখানে পাটের ফলন ভালো হয়। চলতি বছরও ভালো ফলন হয়েছে। আমরা কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি।
পাটের বীজ বপন থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়িয়ে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা পর্যন্ত যে খরচ হয় তাতে করে বর্তমান বাজারদরে পাট বিক্রি করলে লোকসানের মুখে পড়তে হয় কৃষকদের।



















