গত শুক্রবার আকস্মিকভাবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
মহামারী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। তার ক্ষমতার মেয়াদ হবে এক বছরেরও কম। দেশজুড়ে তার জনসমর্থন কমতে কমতে নেমে গেছে শতকরা ৩০ ভাগের নিচে। এ কারণে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।
ঘোষণা দেয়ার পর পরই কে হবেন তার উত্তরসূরি তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এক্ষেত্রে ফ্রন্টরানার হিসেবে দেখা হচ্ছে তার সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী ফুজিও কিশিদাকে। এই তালিকা থেকে বাদ যাননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
আবে এর আগে দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রার্থী হিসেবে আরো শোনা যাচ্ছে সানাই তাকাইচিও এর নামও।
নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন আগামী ২৯ শে সেপ্টেম্বর। আর সে পর্যন্ত ইয়োশিহিদে সুগা দায়িত্ব পালন করবেন। ২৯ শে সেপ্টেম্বর নির্বাচনে দলীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনিই হবেন জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী।
গত এক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেন।
ফুমিও কিশিদা শিনজো আবে সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। আবের পদত্যাগের পর দলীয় প্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি কিন্তু তাকে পরাজিত করে দলীয় প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী হন ইয়োশিহিদে সুগা। এবার কিশিদার সামনে পথ অনেকটাই খোলা। তিনি বুধবার তিনি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। জোর দিয়েছে করোনা মহামারি বিরুদ্ধে লড়াই এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একমাত্র নারী রাজনীতিক হিসেবে দেখা হচ্ছে সানাই তাকাইচিকে। তিনি খুব বেশি রক্ষণশীল। ফলে এমন একজন নারী নেত্রীকে এলডিপি বেছে নেয়ার সম্ভাবনা কম। নাম শোনা যাচ্ছে প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ক মন্ত্রী তারো কোনো’র। তিনিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। কিন্তু খবর শোনা যাচ্ছে যে, তৃতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিনজো আবে। ফলে ইয়োশিহিদে সুগা’র উত্তরসুরি নির্বাচনের সফলতা নিয়ে পূর্বাভাস দেয়া কঠিন।



















