চলতি বছরের জুনে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল খাতে চাঙ্গা ভাব লক্ষ করা গেছে। এ সময় উৎপাদন, মজুদ, চাহিদা ও রফতানি; সব ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি এসেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত মাসে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের মজুদ নয় মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়া।
রয়টার্স জানায়, জুনে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল মজুদ মে মাসের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে।
এদিকে উৎপাদনেও বড় প্রবৃদ্ধি এসেছে। গত মাসে পাম অয়েল উৎপাদন ৭ শতাংশ বেড়ে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টনে পৌঁছেছে, যা গত বছরের অক্টোবরের পর রেকর্ড সর্বোচ্চ। উৎপাদনে চার মাস ধরে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত আছে। চলতি মাসেও উৎপাদনে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকবে। তবে করোনার কারণে শ্রমিক সংকট কিছুটা ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে পাম অয়েল রফতানিও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মে মাসে পণ্যটি রফতানিতে মন্দাভাব দেখা দিলেও জুনে বেড়েছে ১০ শতাংশ। এ সময় বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয় ১৩ লাখ ৯০ হাজার টন পাম অয়েল।

ভোজ্যতেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা দেশ ভারত। গত মাসে দেশটি পরিশোধিত পাম অয়েল আমদানিতে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে। এছাড়া পরিশোধিত ও অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানিতে শুল্কও কমিয়েছে দেশটি। এতে করে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের চাহিদা বেড়েছে।












