আমাদের এবারের বাজেটটি উচ্চাভিলাসী এবং খুব চ্যালেঞ্জিং। মুদ্রাস্ফীতি এবং জিডিপি গ্রোথ অনুযায়ী বাজেট ঠিক থাকলেও মধ্যবিত্ত মানুষদের প্রনোদনার ব্যপারে বাজেটে তেমন কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ সরকারের ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ) বাংলাদেশ এক ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠকে ইভ্যালির সিএফও মোহাম্মদ তানভীর হোসেন, এসিসিএ এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, গত বছরের তুলনায় এবছর আমাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। ক্রয়ক্ষমতা কমার বিপরীতে যদি কর অব্যাহতির সীমা একই থাকে তাহলে মানুষ নেগেটভ্লি এফেক্টেড হবে। এবার যদি কর অব্যাহতির সীমাটা বাড়ানো হলে খুব ভাল হতো। মেডিক্যাল এল্যাউন্স গত বছরের সমান রাখা হয়েছে। অথচ কোভিডের কারণে মানুষের স্বাস্থ্যব্যয় বেড়েছে। এই অতিরিক্ত খরচ এর চাপ থেকে উঠে আসার উপায় বাজেটে উল্লেখ নেই।
মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিকে এখন উইথহোল্ডিং অথরিটি হিসেবে প্রস্তাবণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খরচ বাড়বে অ্যান্ড ইউজাররা এফেক্টেড হবে। এটি একটি বুমিং সেক্টর হিসেবে যে প্রণোদনা পাবে আশা করেছিলাম তা হয়নি। আমাদের যে ৫% ভ্যাট অন কমিশন রয়েছে তা একটু কমালে ভালো হত।
গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অন্যদের মধ্যে সামিট কমিউনিকেশনসের এমডি এবং সিইও আরিফ আল ইসলাম, পিডব্লিউসি বাংলাদেশের ম্যানেজিং পার্টনার মামুন রশীদ, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাসুদ খান, এসিসিএ বাংলাদেশের সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার-লার্নিং শাহ ওয়ালীউল মনজুর, মার্কেটিং ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল হাসান এবং বিজনেস সার্ভিস ও কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার জিএম রাশেদ, সৈয়দা সাদিয়া আফরোজসহ এসিসিএ বাংলাদেশের মেম্বার এবং বিভিন্ন সেক্টরের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এসিসিএ বাংলাদেশের হেড অব এডুকেশন প্রমা তাপসী খান এবং আয়োজনে সহায়তা করেন এইস অ্যাডভাইজরি এবং ট্যাক্সহাউজ বাংলাদেশ লিমিটেড।