বাংলাদেশে সেবা সীমিত হয়ে যাওয়া নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। হঠাৎ করে বাংলাদেশে ফেসবুক এবং বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ মেসেঞ্জারের সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় শনিবার বিবৃতি দিয়েছে মার্কিন এই সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতায় বাংলাদেশের ইসলামপন্থি কয়েকটি দলের বিক্ষোভে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মাঝেই শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে ফেসবুক এবং তাদের বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ মেসেঞ্জার ডাউন রয়েছে।
শুক্রবার মোদিবিরোধী বিক্ষোভ থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চার বিক্ষোভকারীর প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের আশপাশে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে মোদির সফরবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সংঘাত হয়েছে।
তবে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানা যায়।
ফেসবুক বলেছে, করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য যখন কার্যকর যোগাযোগ প্রয়োজন; তখন বাংলাদেশে ফেসবুকের সেবা সীমিত করে দেওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
স্থানীয় কট্টরপন্থি গোষ্ঠী হেফাজতে ইসলাম এবং তাদের অনুসারী অন্যান্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক বেশ কয়েকটি দল নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ভারতে মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন ও তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালের দিকে দু’দিনের সফরে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফর করছেন তিনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর জোড়া উৎসবে অংশ নিতে নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে এসেছেন।