ঢাকা, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন

মীর আখতারের শেয়ারকে প্রভাবিত করায় তদন্ত কমিটি গঠন, বিও হিসাব জব্দ

পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি মীর আখতার হোসেনের শেয়ারকে সর্বোচ্চ দামে ক্রয়াদেশ দিয়ে প্রভাবিত করায় দুটি বিও (বেনিফিশারি ওনার্স) হিসাব সাময়িকভাবে জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ ক্রয়াদেশ দেওয়ার কারণে আইডিএলসি সিকিউরিটিজের একজন ট্রেডারকে (অনুমোদিত প্রতিনিধি) সাময়িকভাবে লেনদেন কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে লেনদেন শুরুর আগের প্রাক–লেনদেন চলাকালে আইডিএলসি সিকিউরিটিজ থেকে মীর আখতার হোসেনের শেয়ার দিনের সর্বোচ্চ দামে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়। এ ক্রয়াদেশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর দুটি বিও হিসাব থেকে দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তা বিএসইসির সার্ভিলেন্স সফটওয়্যারে চিহ্নিত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিএসইসি থেকে ব্রোকারেজ হাউসটিকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে ওই ক্রয়াদেশ দু’টি তুলে নেওয়া হয়। এরই ধরাবাহিকতায় যে দুটি বিও হিসাব থেকে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল তা জব্দ করা হয়। তাছাড়া এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই ক্রয়াদেশ দেওয়ার কারণে একজন ট্রেডারকে সাময়িকভাবে লেনদেন কার্যক্রম থেকে বিরত রেখেছে ব্রোকারেজ হাউজটি।

পুঁজিবাজারে মীর আখতারের লেনদেন শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। প্রথম দিনেই শেয়ারটির দাম সর্বোচ্চ সীমায় উঠে যায়। এ কারণে লেনদেন শুরুর প্রথম দিনের বেশির ভাগ সময়ই এটির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য ছিল। আর দ্বিতীয় দিনে বুধবার লেনদেন শুরুর আগে শেয়ারটি দিনের সর্বোচ্চ দামে ১২১ টাকায় ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়। এ বিষয়টি লেনদেন শুরুর আগে বিএসইসির নজরে আসে। পরবর্তীতে তাৎক্ষণিক বিএসইসি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ