বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তাদের এক দফায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার সময়সীমা আরও ছয় মাস (৩০ জুন পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে এ সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রফতানি বাণিজ্যে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তা সহায়তা হিসাবে এ সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।
সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যরা রফতানি উন্নয়ন তহবিল থেকে এ বাড়তি ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। অন্য রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে আগের ঋণসীমা বহাল থাকবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় এ খাতের উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৩ মাস ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পর জুন থেকে সীমিত আকারে চালু হয়। এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কাছে নতুন রপ্তানির কার্যাদেশ আসতে শুরু করে। ফলে রপ্তানিপণ্য তৈরিতে কাঁচামাল আমদানি করতে বেশি অর্থের প্রয়োজন পড়ে। এজন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে হয়। বড় আকারে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে উদ্যোক্তাদের অর্থের সংকট রয়েছে। এ কারণে এর সীমা ও কোটা বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তাদের এক দফায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার সময়সীমা আরও ছয় মাস (৩০ জুন পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে এ সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রফতানি বাণিজ্যে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় উদ্যোক্তা সহায়তা হিসাবে এ সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে।


















