চীনের সিনোভেক কোম্পানির তৈরি কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতির পর বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল ঈদের আগেই শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের সরকারি সাতটি কোভিড হাসপাতালে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদের আগে ট্রায়াল শুরু হলে আগামী আগস্ট মাসেই চীনের ভ্যাকসিনের ব্যবহার পুরোপুরিভাবে শুরু হয়ে যাবে।
এর আগে চীনের তৈরি কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) এর ভ্যাকসিন বাংলাদেশে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) নৈতিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি)। এই ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল হবে বাংলাদেশে। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএমআরসি পরিচালক ডা. মাহমুদ-উজ-জাহান। তিনি জানান, বিএমআরসির কাছে আইসিডিডিআরবির পক্ষ থেকে যে প্রটোকল দেওয়া হয়েছে, তাতে ৪ হাজার ২০০ জনের ওপর এটি প্রয়োগ করা হবে। তবে ৪ হাজার ২০০ জন টিকা পাবেন না। এদের মধ্যে অর্ধেক টিকা পাবেন, অর্ধেক পাবেন না। এটাই গবেষণার নিয়ম।
জানা যায়, আইসিডিডিআরবি দেশের সাতটি হাসপাতালে টিকা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে অনুমোদন চেয়েছে। অধিদপ্তর অনুমোদন দিলে এসব হাসপাতালে পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানান বিএমআরসির পরিচালক। যে সাতটি প্রতিষ্ঠানে টিকার পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বার্ন ইউনিট-১, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুয়েত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ইউনিট-২ এবং ঢাকা মহানগর হাসপাতাল।
সারা বিশ্বে করোনার টিকা বানাতে এখন অন্তত ১৬০টি উদ্যোগ চালু আছে। এর মধ্যে মাত্র দুটি টিকার তৃতীয় ধাপে আছে। সিনোভেকের এ টিকার পাশে তৃতীয় ধাপে আছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকা। চীনের তৈরি ভ্যাকসিনের বাংলাদেশে পরীক্ষা করার অনুমতি চেয়েছিল দেশটি। এ বিষয়ে গঠিত জাতীয় কমিটি নীতিগতভাবে তা অনুমোদন দিয়েছেন।



















