কোভিড পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতকে নগদ সাহায্য দিতে চেয়েছিলেন। ইমরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো ভারত হাসিমুখেই, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব একটি অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘পাকিস্তান তাদের নিজেদের দেশের জনগণের অ্যাকাউন্টে নগদ দেওয়ার চেয়ে দেশের বাইরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ টাকা স্থানান্তরের জন্যে পরিচিত। ইমরান খানের উপদেষ্টাদের এবিষয়ে আরও জানতে হবে।’
ভারতের দরিদ্রদের অ্যাকাউন্টে নগদ টাকা পাঠিয়ে সাহায্যের প্রস্তাব দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়ে ভারতের তরফ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় ভারত সরকার কোভিডে যে অর্থনৈতিক ত্রাণ প্যাকেজের ঘোষণা করেছে তা পাকিস্তানের জিডিপির সমান। শ্রীবাস্তব বলেন, ‘পাকিস্তানের ঋণ সমস্যা (জিডিপির ৯০ শতাংশ) এবং ঋণ পুনর্গঠনের জন্য তারা কতটা চাপের মধ্যে রয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা সবাই জানি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টুইটে বলেন ভারত জুড়ে ৩৪% পরিবার কোনও সহায়তা ছাড়াই এক সপ্তাহের বেশি সময় বাঁচতে পারবেন না। আমি সহায়তা প্রদান এবং আমাদের সফল নগদ স্থানান্তর অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, ভারতে এটি পৌঁছে দেওয়া এবং এক্ষেত্রে স্বচ্ছতার জন্য পাকিস্তান সারাবিশ্বে প্রশংসিত।
নরেন্দ্র মোদি গত মাসে কোভিড মহামারী মোকাবেলায় ২০ লাখ কোটি টাকার অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্যাকেজের ঘোষণা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের অর্থনীতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের গবেষণা তথ্যে বলা হচ্ছে লকডাউনে ৮৪ শতাংশ ভারতীয় পরিবারের আয় কমেছে। আবার পাকিস্তানে লকডাউনের কারণে ১ কোটি ৮৫ লাখেরও বেশি মানুষ চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছে বলে প্রথম সারির মিডিয়াগুলো বলছে।



















